মোট প্রদর্শন : 93 Views

গুলিস্তান-জয়কালী মন্দির স্টপওভার বাস টার্মিনালে রাজস্ব আদায়ে বাঁধা দানকারী কে এই পরিবহন শ্রমিকনেতা আ: রহমান?

স্টাফ রিপোর্টার:
গুলিস্তান-জয়কালী মন্দির স্টপওভার বাস টার্মিনালে রাজস্ব আদায়কারী ইজারাদার মো: মতিন মৃধার ইজারা আদায়ে বাঁধা দানকারী কে এই শ্রমিকনেতা আ: রহমান। বিএনপি জামায়ত থেকে উড়ে আসা পরিবহন শ্রমিক নেতা আব্দুর রহমান তার দলবল নিয়ে আওয়ামীলীগের কিছু প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বৈধ ইজারাদার শেরপুর বানিজ্যালয়ের প্রোপাইটর মো: মতিন মৃধা ও লোজনকে বাস টার্মিনালের রাজস্ব আদায়ের সময় মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছে। এতে ইজারাদরের রাজস্ব আদায় কার্যক্রম ধমকে আছে। এবিষয়ে ইজারাদার মতিন মৃধা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পরিবহনের মহাব্যবস্থাপক বরাবর সহযোগিতার আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা।

জানা গেছে, ইজারাদার মো: মতিন মৃৃধা গুলিস্তান-জয়কালী মন্দির (সায়েদাবাদ সিটি) স্টপওভার বাস টার্মিনালের টার্মিনাল ফি ও কুলিমজুরী খাতে রাজস্ব আদায়ের কাজে ২০১৯/২০ অর্থ বছরের জন্য সরকারী বিধি মোতাবেক ৩০শে জুন-২০১৯ ইং তারিখ হতে ৩০শে জুন-২০২০ ইং তারিখ পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক রাজস্ব আদায়ের কার্যাদেশ প্রাপ্ত হয়। অতপর ইজারাদার মতিন মৃধা ১ জুলাই-২০১৯ ইং তারিখে শ্রমিকদের নিয়ে ইজারা আদায়ের কাজ শুরু করলে শ্রমিক নেতা পরিচয় দানকারী আ: রহমান ও জাহিদ তার দলবল নিয়ে এসে বাঁধা প্রদান করে ইজারা আদায় কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। মতিন মৃধার লোকজন ২ ও ৩ জুলাই একই ভাবে ইজারা আদায় করতে গেলে আ: রহমান ও জাহিদ গংরা একই ঘটনা ঘটায়। ফলে আ: রহমান ও জাহিদের বাঁধার কারনে ইজারাদার মতির মৃধার ইজারা আদায় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে। এতে ইজারাদার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সুত্র জানায়, আ: রহমান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিবের নাম ব্যবহার করে। তাকে নিয়মিত মাসোয়ারা না দিলে কোন বৈধ ইজারাদারই ইজারা আদায় করতে পারবে না। আ: রহমানের সহযোগি মো: জাহিদ হোসেন গুলিস্তানে একজন ভয়ংকর সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। পান থেকে চুন খসলেই সে যে কারোর উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে দেয়। এই ভয়ে কেউ তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে না। ইজারাদার মতিন মৃধাও গুলিস্তান-জয়কালী মন্দির (সায়েদাবাদ সিটি) স্টপওভার বাস টার্মিনালের বৈধ ইজারাদার হয়ে এই আ: রহমান ও জাহিদ বাহিনীর নির্যাতনের ভয়ে ইজারা আদায় করতে পারছে না। এভাবে ইজারা আদায় কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সরকারী বিধি মোতাবেক ইজারাদার মতিন মৃধাকে সিডিউলের উল্লেখিত টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেয়া সম্ভব নয়, এতে সরকার ও ইজারাদার উভয়েই ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

আরো জানা গেছে, আ: রহমান ২০০৭ সালে বিএনপির মতিঝিল থানার পরিবহন শ্রমিক নেতা ছিলেন এবং জাহিদ বর্তমানে বাউফল কুরশ্রী ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি। যখন যে সরকার আসে তখন সে ঐ সরকারের পরিবহন শ্রমিক নেতা বনে যান। এখন সে ৪৯৪নং পরিবহন শ্রমিক নেতা হিসেবে গুলিস্তান বাস টার্মিনালে একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তার অপকর্মের বিয়ষ গুলো দেখার যেন কেউ নেই। গুলিস্তান পুলিশের সার্জেন্ট আহাদ বক্সের নাকের ডগায় বসেই পুলিশের সামনেই প্রতিনিয়ত আ: রহমান ও জাহিদ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এসমস্ত অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে ইজারাদার মতিন মৃধা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে হস্তক্ষেপ কামনা করছে।