মোট প্রদর্শন : 34 Views

ইস্তামবুলের মেয়র নির্বাচনে আবারো ক্ষমতাসীনদের হার

তুরস্কের ইস্তামবুলের মেয়র পদে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনে আবারো পরাজয় বরণ করেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান মনোনীত সরকার দলীয় প্রার্থী। যেখানে বিরোধী প্রার্থী ইকরাম ইমামোগলু মোট ভোটের প্রায় ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে ক্ষমতাসীন একে পার্টিকে পিছনে ফেলে দেন।

কর্তৃপক্ষের বরাতে তুর্কি গণমাধ্যম ‌‘আনাদোলু এজেন্সি’ জানায়, রোববার (২৩ জুন) ইস্তানবুলে অনুষ্ঠিত মেয়র নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (একে) পার্টির মেয়র প্রার্থী ও প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ঘনিষ্ঠ মিত্র বিনালি ইলদিরিম বড় ব্যবধানে পরাজয় বরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি টানা দুইবার জয়লাভ করায় বিরোধী প্রার্থী ইকরামকে অভিনন্দন জানান।

নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, রিপাবলিকান পিপলস পার্টির প্রার্থী ইকরাম মোট ভোটের প্রায় ৫৩ দশমিক ৭২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম পেয়েছেন বাকি ৪৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোট। এবারের পুনর্নির্বাচনে মোট ৯৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে উল্লেখ করে পরাজিত প্রার্থী বিনালি ইলদিরিম বলেন, ‘নির্বাচনের সর্বশেষ ফল অনুযায়ী আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইকরাম এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছেন। যে কারণে আমি ‘একে পার্টির’ পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা এবং সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।’

এ দিকে চলতি বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে ক্ষমতাসীন এরদোগানের দল ‘একে পার্টিকে’ স্বল্প ব্যবধানে পরাজিত করেছিল বিরোধী ‘রিপাবলিকান পিপলস পার্টির’ প্রার্থী ইকরাম ইমামোগলু। ‘ইস্তানবুলবাসী যাতে নিজেদের প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চা করতে পারেন’ পরবর্তীতে এই দাবি তুলে গত ৩১ মার্চের সেই স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনটি বাতিল করে দেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। যার মাধ্যমে শহরটিতে মেয়র নির্বাচনের জন্য পুনরায় ভোটের আয়োজন করেন তিনি।

যদিও এর আগেও ইস্তামবুলের মেয়র নির্বাচনে পরাজয়ের স্বাদ নিয়েছিল প্রেসিডেন্ট এরদোগানের এই দল। ১৯৯০ সালের সেই নির্বাচনে ‘রিপাবলিকান পিপলস পার্টির’ কাছে বড় ব্যবধানে হারতে হয় তাদের। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মতে, ‘ইস্তামবুল জয় পাওয়া মানে গোটা তুরস্ক জয়।’ অপর দিকে দ্বিতীয় মেয়াদের ভোটের আগে বিরোধী দলের প্রার্থী ইকরাম ইমামোগলু বলেন, ‘প্রথমবারের ভোটে পরাজয়ের ফলেই ক্ষমতাসীনরা আবারো নির্বাচনের আয়োজন করেছে। যদিও এর মাধ্যমে দেশের মোট ৪ বিলিয়ন ডলারের অপচয় করা হচ্ছে।’

সূত্র : রয়টার্স